০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচনে প্রথম স্থান অর্জন, গোপালগঞ্জের কৃতী সন্তান মুফতি আবু উবাইদাকে শুভেচ্ছার জোয়ার

dailydurbin
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৫১৩ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামের কৃতী সন্তান হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু উবাইদা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচনে প্রথম স্থান অর্জন করে গোপালগঞ্জসহ সমগ্র দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তাঁর এই অসাধারণ অর্জনে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।

 

বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সুমধুর কিরাত, জ্ঞানগর্ভ খুতবা, ইসলামের সঠিক শিক্ষা প্রচার এবং সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর নিষ্ঠা তাঁকে একজন গ্রহণযোগ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

 

হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু উবাইদা উচ্চশিক্ষায়ও সমান কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করার পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি (কামিল) অর্জন করেছেন। দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে নিজেকে গড়ে তোলায় তিনি তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

 

তাঁর এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে তাঁর বাবা-মায়ের। তাঁর বাবা, হাফেজ আব্দুল হান্নান, গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদ মাদ্রাসার সাবেক প্রধান হাফেজ সাহেব হুজুর এবং গোপালগঞ্জ কলেজ মসজিদের সাবেক ইমাম হিসেবে দীর্ঘদিন দ্বীনের খেদমত করে আসছেন। একই সঙ্গে তাঁর মায়ের অক্লান্ত ত্যাগ, স্নেহ, দোয়া ও সুশিক্ষাই তাঁর জীবনের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। বাবা-মায়ের আদর্শ, দিকনির্দেশনা ও দোয়ার ফলেই আজ তিনি জাতীয় পর্যায়ে এই সম্মানজনক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

 

এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা, শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা বইছে।

 

এলাকাবাসীর বিশ্বাস, হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু উবাইদা ভবিষ্যতেও ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচার, মানবকল্যাণ এবং দেশ ও জাতির সেবায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তাঁর এই অর্জন নতুন প্রজন্মকে দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও আদর্শিক নেতৃত্বের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচনে প্রথম স্থান অর্জন, গোপালগঞ্জের কৃতী সন্তান মুফতি আবু উবাইদাকে শুভেচ্ছার জোয়ার

আপডেট সময় : ০১:০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামের কৃতী সন্তান হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু উবাইদা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচনে প্রথম স্থান অর্জন করে গোপালগঞ্জসহ সমগ্র দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তাঁর এই অসাধারণ অর্জনে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।

 

বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সুমধুর কিরাত, জ্ঞানগর্ভ খুতবা, ইসলামের সঠিক শিক্ষা প্রচার এবং সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর নিষ্ঠা তাঁকে একজন গ্রহণযোগ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

 

হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু উবাইদা উচ্চশিক্ষায়ও সমান কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করার পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি (কামিল) অর্জন করেছেন। দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে নিজেকে গড়ে তোলায় তিনি তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

 

তাঁর এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে তাঁর বাবা-মায়ের। তাঁর বাবা, হাফেজ আব্দুল হান্নান, গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদ মাদ্রাসার সাবেক প্রধান হাফেজ সাহেব হুজুর এবং গোপালগঞ্জ কলেজ মসজিদের সাবেক ইমাম হিসেবে দীর্ঘদিন দ্বীনের খেদমত করে আসছেন। একই সঙ্গে তাঁর মায়ের অক্লান্ত ত্যাগ, স্নেহ, দোয়া ও সুশিক্ষাই তাঁর জীবনের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। বাবা-মায়ের আদর্শ, দিকনির্দেশনা ও দোয়ার ফলেই আজ তিনি জাতীয় পর্যায়ে এই সম্মানজনক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

 

এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা, শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা বইছে।

 

এলাকাবাসীর বিশ্বাস, হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু উবাইদা ভবিষ্যতেও ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচার, মানবকল্যাণ এবং দেশ ও জাতির সেবায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তাঁর এই অর্জন নতুন প্রজন্মকে দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও আদর্শিক নেতৃত্বের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।