১০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল ব্যবসায়ীর লাশ

dailydurbin
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ৫১৩ Time View

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখার হাট এলাকার ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকিরের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে মমিনখার হাট সংলগ্ন একটি পাটক্ষেত তাকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই বিকেলে ইউসুফ ফকির হাটের পাশের এলাকা থেকে একটি অটোরিকশায় করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। বাড়ির সামনে নামার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। শনিবার সকালে মমিনখার হাট সংলগ্ন একটি পাটক্ষেতে তাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার ইউসুফের বড় ভাই গিয়াসউদ্দিনের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবি করা টাকা না দেওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।

 

এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল ব্যবসায়ীর লাশ

আপডেট সময় : ১২:২৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখার হাট এলাকার ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকিরের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে মমিনখার হাট সংলগ্ন একটি পাটক্ষেত তাকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই বিকেলে ইউসুফ ফকির হাটের পাশের এলাকা থেকে একটি অটোরিকশায় করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। বাড়ির সামনে নামার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। শনিবার সকালে মমিনখার হাট সংলগ্ন একটি পাটক্ষেতে তাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার ইউসুফের বড় ভাই গিয়াসউদ্দিনের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবি করা টাকা না দেওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।

 

এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।